A product of Flexify Ltd
Read in English → লাইসেন্স ও নিয়ম

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন ২০২৬: ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এখনই করণীয়

বাংলাদেশের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন ২০২৬ ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য সহজ ভাষায়: রোগীর সম্মতি, নিরাপত্তা, সফটওয়্যার ভেন্ডর, ডেটা কোথায় থাকবে এবং কী এখনও স্পষ্ট নয়।

হসপিফাই প্রো টিম, ফ্লেক্সিফাই লিমিটেড ·8 মিনিটের পাঠ
ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন ২০২৬: ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এখনই করণীয়
সংক্ষিপ্ত উত্তর

বাংলাদেশের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন ২০২৬ (আইন নং ৬৩) প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল। প্রকাশিত সারসংক্ষেপ অনুযায়ী সম্মতি হতে হবে স্পষ্ট, নির্দিষ্ট ও প্রত্যাহারযোগ্য, স্পর্শকাতর তথ্যে মান আরও কড়া, এনক্রিপশনের মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা লাগবে, মানুষ নিজের তথ্য দেখা, সংশোধন ও মুছে ফেলার অধিকার পাবে, এবং গুরুতর তথ্য ফাঁস নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জানাতে হবে। ক্লিনিকের বাস্তব করণীয়: রোগীর কাছ থেকে স্পষ্ট সম্মতি নিন, কে কোন রেকর্ড দেখবে তা সীমিত করুন, অ্যাক্সেস লগ রাখুন, সফটওয়্যার ভেন্ডর ডেটা কোথায় রাখে তা জেনে নিন এবং স্বাক্ষরিত ডেটা প্রসেসিং চুক্তি নিন। আইন কবে কার্যকর হবে এবং জরিমানার সঠিক অঙ্ক আমাদের দেখা সূত্রে নিশ্চিত হয়নি, তাই বাংলাদেশের আইনজীবীর সঙ্গে যাচাই করুন।

এই গাইডে 8টি অংশ
  1. আইনটি কী
  2. আইনে কী আছে, সহজ ভাষায়
  3. যা এখনও স্পষ্ট নয়
  4. ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এখন কী করতে পারে
  5. সফটওয়্যার ভেন্ডরকে যা জিজ্ঞাসা করবেন
  6. বিস্তারিত কোথায় যাচাই করবেন
  7. সূত্র
  8. সচরাচর জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশের প্রতিটি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এমন তথ্য থাকে যা স্বভাবতই ব্যক্তিগত: নাম, ফোন নম্বর, টেস্টের ফল, রোগ নির্ণয়, প্রেসক্রিপশন। এই তথ্য সামলানোর জন্য এখন নতুন একটি আইন আছে। এই লেখায় সহজ ভাষায় সেটা বোঝানো হয়েছে এবং আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজের তালিকা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ যাচাই: ২২ অক্টোবর ২০২৬। এটি প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সহজ ভাষার সারসংক্ষেপ, আইনি পরামর্শ নয়। আইনের কোনো প্রামাণিক ইংরেজি পাঠ আমরা পাইনি, আর আমাদের দেখা সূত্রগুলো কয়েকটি বিষয়ে একমত নয়। যেখানে মিলছে না, সেখানে আমরা তা লিখেছি। গুরুত্বপূর্ণ কিছু হলে বাংলাদেশের আইনজীবী ও সরকারি গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

আইনটি কী

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন ২০২৬ হলো ২০২৬ সালের ৬৩ নম্বর আইন, যা বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের রেকর্ড অনুযায়ী ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল প্রকাশিত হয়েছে (অফলিস্ট)। এটি ২০২৫ সালের নভেম্বরে জারি হওয়া ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা অধ্যাদেশের পরের আইন (সিকিউরিটি)।

সারসংক্ষেপ অনুযায়ী এটি প্রযোজ্য বাংলাদেশে ব্যক্তিগত তথ্য প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে, এবং বাংলাদেশের মানুষকে সেবা দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত হলে দেশের বাইরের প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও।

আইনে কী আছে, সহজ ভাষায়

এই পয়েন্টগুলো আমরা দ্বিতীয় স্তরের সারসংক্ষেপ থেকে নিয়েছি। তাই আইনের হুবহু ভাষা নয়, প্রধান বিষয়গুলোর ধারণা হিসেবে নিন।

বিষয়সারসংক্ষেপে যা বলা হয়েছে
সম্মতিস্পষ্ট, নির্দিষ্ট, স্বেচ্ছায় দেওয়া ও প্রত্যাহারযোগ্য। উদ্দেশ্য, কত দিন তথ্য রাখা হবে ও কার সঙ্গে শেয়ার হবে তা জানাতে হবে।
স্পর্শকাতর তথ্যসম্মতির মান আরও কড়া। ২০২৫-এর অধ্যাদেশে স্বাস্থ্য তথ্য স্পর্শকাতর ছিল। জরুরি চিকিৎসা ও আইনি দায়ের মতো ব্যতিক্রম আছে।
শিশু১৮ বছরের নিচে হলে বাবা-মা বা অভিভাবকের সম্মতি লাগবে।
অধিকারতথ্য দেখা, সংশোধন, মুছে ফেলা ও সম্মতি প্রত্যাহার।
নিরাপত্তাএনক্রিপশন ও ছদ্মনামীকরণের মতো ব্যবস্থা, নিয়মিত পরীক্ষাসহ।
রেকর্ডপ্রক্রিয়ার রেকর্ড অন্তত পাঁচ বছর রাখতে হবে।
তথ্য ফাঁসগুরুতর ফাঁস নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জানাতে হবে। সময়সীমা উল্লেখ নেই।
বড় প্রতিষ্ঠান“উল্লেখযোগ্য” ডেটা নিয়ন্ত্রককে একজন চিফ ডেটা অফিসার নিয়োগ দিতে হবে।
ভেন্ডরপ্রসেসর ব্যবহার করলেও দায় আপনার। বৈধ চুক্তি লাগবে।

যা এখনও স্পষ্ট নয়

অনলাইনে যা পড়বেন, এই লেখাসহ, তা সাবধানে নিন। আমাদের সূত্রে এই বিষয়গুলো নিশ্চিত বা সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না:

  • আইন কবে কার্যকর হবে, আর কোনো উত্তরণকাল আছে কি না।
  • তথ্য কোথায় রাখা যাবে। ২০২৫-এর অধ্যাদেশে গোপনীয় ও সীমাবদ্ধ তথ্য বাংলাদেশে রাখার কথা ছিল। ২০২৬-এর আইনের একটি সারসংক্ষেপে কিছু পরিচয়সূচক তথ্য বড় পরিসরে স্থানান্তরে বিধিনিষেধের কথা আছে, তবে সব তথ্যের জন্য সাধারণ নিয়ম নেই।
  • জরিমানার সঠিক অঙ্ক। একটি সারসংক্ষেপে নির্দিষ্ট অঙ্কের জরিমানা, অন্যটিতে আগের অধ্যাদেশের জন্য বার্ষিক লেনদেনের শতাংশ ও কারাদণ্ডের কথা।
  • কোন সংস্থা প্রয়োগ করবে। ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে ভিন্ন ভিন্ন সংস্থার নাম।

ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এখন কী করতে পারে

অস্পষ্ট বিষয়গুলোর ওপর এই ধাপগুলোর কোনোটাই নির্ভর করে না। আইনের প্রায় যেকোনো পাঠেই এগুলো ভালো চর্চা।

  1. কী কী তথ্য রাখেন তা লিখুন। নিবন্ধন, টেস্টের ফল, প্রেসক্রিপশন, বিল, ছবি: কোনটা কেন লাগে।
  2. রোগীকে জানান ও সম্মতি নিন। নিবন্ধনের সময় ছোট ও স্পষ্ট নোটিশ দিন এবং রোগীকে জানানো হয়েছে তা লিখে রাখুন। জরুরি ও আইনি ব্যতিক্রম আপনার ক্ষেত্রে কীভাবে খাটে, আইনজীবীকে জিজ্ঞাসা করুন।
  3. কে কী দেখবে তা সীমিত করুন। রিসেপশনের ল্যাবের ফল দেখার দরকার নেই, ল্যাবের বিলিং ইতিহাস লাগে না। প্রত্যেক ভূমিকাকে শুধু যা লাগে তা দিন।
  4. অ্যাক্সেস লগ রাখুন। কোনো রেকর্ড খোলা বা বদলালে কে, কখন করেছে তা বলতে পারা চাই।
  5. মৌলিক নিরাপত্তা ঠিক রাখুন। শক্ত পাসওয়ার্ড, মালিক ও অ্যাডমিনের জন্য টু-ফ্যাক্টর সাইন-ইন, শেয়ার করা লগইন নয়, স্ক্রিন লক, আর কর্মী চলে গেলে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাক্সেস বন্ধ।
  6. হোয়াটসঅ্যাপ ও প্রিন্ট সাবধানে। রিপোর্ট শুধু রোগীর নিজের নম্বরে পাঠান এবং কাউন্টারে খোলা অবস্থায় রিপোর্ট ফেলে রাখবেন না।
  7. রেকর্ড কত দিন রাখবেন ঠিক করুন এবং রোগীর তথ্য দেখা বা সংশোধনের অনুরোধ কে সামলাবে তা ঠিক করুন।
  8. ভেন্ডর যাচাই করুন। নিচের প্রশ্নগুলো দেখুন।
  9. তথ্য ফাঁসের পরিকল্পনা রাখুন। কাকে ফোন করবেন, আক্রান্ত রোগীদের কীভাবে জানাবেন এবং কী প্রতিবেদন দেবেন।

সফটওয়্যার ভেন্ডরকে যা জিজ্ঞাসা করবেন

আপনার রেকর্ড ক্লাউড সফটওয়্যারে থাকলেও দায়িত্ব আপনারই। জিজ্ঞাসা করুন:

  • আমাদের ডেটা কোথায় থাকে, আর কোন সাব-প্রসেসর (হোস্টিং, ব্যাকআপ, মেসেজিং, এআই) তাতে হাত দেয়?
  • ট্রানজিটে ও সংরক্ষণে এনক্রিপ্টেড কি?
  • প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ডেটা আলাদা রাখা হয় কি, অন্য গ্রাহকের থেকে?
  • ভেন্ডর শুধু আপনার নির্দেশে কাজ করবে, এমন স্বাক্ষরিত ডেটা প্রসেসিং চুক্তি আছে কি?
  • আমরা ডেটা এক্সপোর্ট বা মুছে ফেলতে পারব কি, আর কত দ্রুত?
  • অডিট লগ, ভূমিকাভিত্তিক অ্যাক্সেস ও টু-ফ্যাক্টর সাইন-ইন আছে কি?
  • তথ্য ফাঁস হলে কী হবে, আর আমরা কত দ্রুত জানব?

হসপিফাই প্রোর ক্ষেত্রে আমাদের প্রাইভেসি পলিসি ও ডেটা প্রসেসিং চুক্তি (ইংরেজিতে) এগুলো লিখিতভাবে বলেছে: প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব এনক্রিপ্টেড ডেটাবেস, ভূমিকাভিত্তিক অ্যাক্সেস ও অডিট লগ আছে, এবং রোগীর রেকর্ডের ক্ষেত্রে ফ্লেক্সিফাই লিমিটেড প্রসেসর হিসেবে কাজ করে। পলিসিতে এটাও বলা আছে যে আমাদের সেবাদাতারা অন্য দেশে ডেটা সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়া করতে পারে। তাই যদি আপনার ক্ষেত্রে ডেটা বাংলাদেশে রাখার নিয়ম প্রযোজ্য হয়, সই করার আগে আমাদের ও আপনার আইনজীবীর সঙ্গে তা তুলুন। সাব-প্রসেসরের বর্তমান তালিকা অনুরোধে পাওয়া যায়। কোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করলেই প্রতিষ্ঠান আইন মেনে চলছে, এমন দাবি আমরা করি না। মেনে চলা নির্ভর করে আপনি প্রতিষ্ঠান কীভাবে চালান তার ওপর।

বিস্তারিত কোথায় যাচাই করবেন

  • সরকারি মুদ্রণালয় বা আইসিটি বিভাগের আইন পাতা থেকে গেজেটে প্রকাশিত আইন।
  • স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে কাজ করেন, এমন বাংলাদেশি আইনজীবী।
  • এরপর স্বাস্থ্য খাতের কোনো নির্দেশনা এলে ডিজিএইচএস।

আরেকটি সাম্প্রতিক নিয়ম বদলের জন্য পড়ুন ২ বছরের লাইসেন্সে কী বদলাল।

সূত্র

Frequently asked questions

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন ২০২৬ কী?

এটি ২০২৬ সালের ৬৩ নম্বর আইন, প্রকাশিত ১০ এপ্রিল ২০২৬। এটি ২০২৫ সালের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা অধ্যাদেশের পরের আইন এবং প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে সংগ্রহ, ব্যবহার, সংরক্ষণ ও শেয়ার করবে তার নিয়ম ঠিক করে: সম্মতি, নিরাপত্তা, ব্যক্তির অধিকার ও তথ্য ফাঁসের প্রতিবেদন।

এটা কি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্যও প্রযোজ্য?

সারসংক্ষেপ অনুযায়ী বাংলাদেশে যারা ব্যক্তিগত তথ্য প্রক্রিয়া করে তাদের সবার জন্য প্রযোজ্য, অর্থাৎ ক্লিনিক, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফার্মেসি এবং তাদের ব্যবহৃত সফটওয়্যারও। রোগীর রেকর্ড ব্যক্তিগত তথ্য, আর ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে স্বাস্থ্য তথ্যকে স্পর্শকাতর ধরা হয়েছিল।

রোগীর তথ্য রাখতে কি সম্মতি লাগবে?

আইনে সম্মতি বলতে বোঝানো হয়েছে স্পষ্ট, নির্দিষ্ট, স্বেচ্ছায় দেওয়া ও প্রত্যাহারযোগ্য, আর স্পর্শকাতর তথ্যে মান আরও কড়া। জরুরি চিকিৎসা বা আইনি দায়ের মতো ব্যতিক্রম আছে। আপনার নিয়মিত নিবন্ধন, টেস্ট ও বিলিংয়ে এই ব্যতিক্রম কীভাবে খাটে, তা আইনজীবীর কাছ থেকে জেনে নিন।

রোগীর তথ্য কি বাংলাদেশের ভেতরেই রাখতে হবে?

সূত্রগুলো একমত নয়। ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে গোপনীয় ও সীমাবদ্ধ তথ্য বাংলাদেশে রাখার কথা ছিল। ২০২৬ সালের আইনের একটি সারসংক্ষেপে কিছু পরিচয়সূচক তথ্য বড় পরিসরে বিদেশে পাঠানোর ওপর কড়াকড়ির কথা আছে, তবে সব তথ্যের জন্য সাধারণ বাধ্যবাধকতা নেই। আইনজীবী ও সফটওয়্যার ভেন্ডরকে জিজ্ঞাসা করুন তথ্য কোথায় থাকে।

জরিমানা কত?

সারসংক্ষেপে ভিন্নতা আছে। একটিতে প্রশাসনিক জরিমানা ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত (উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রকদের জন্য ৫০ লাখ), অন্যটিতে (২০২৫-এর অধ্যাদেশ নিয়ে) বার্ষিক লেনদেনের শতাংশ ও কারাদণ্ডের কথা। অঙ্কগুলো অনিশ্চিত ধরুন এবং গেজেটে প্রকাশিত মূল পাঠ দেখুন।

রোগীর রেকর্ডের জন্য ক্লাউড সফটওয়্যার কি নিরাপদ?

হতে পারে, যদি ভেন্ডর ডেটা এনক্রিপ্ট করে, অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে, অডিট লগ রাখে, ডেটা প্রসেসিং চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং জানায় ডেটা কোথায় থাকে ও কোন সাব-প্রসেসর ব্যবহার করে। রেকর্ডের দায়িত্ব তবু আপনার, তাই সই করার আগে এই প্রশ্নগুলো করুন।

আইন কবে কার্যকর হবে?

আমরা যে সূত্র দেখেছি তাতে কার্যকর হওয়ার তারিখ বা উত্তরণকালের কথা নিশ্চিত হয়নি। গেজেটে প্রকাশিত আইনটি দেখুন বা আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।

  • ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন ২০২৬
  • রোগীর তথ্য সুরক্ষা
  • ক্লিনিকের ডেটা গোপনীয়তা
  • স্বাস্থ্য তথ্য আইন বাংলাদেশ
  • ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ম
লিখেছেন হসপিফাই প্রো টিম, ফ্লেক্সিফাই লিমিটেড

হসপিফাই প্রো তৈরি করেছে ফ্লেক্সিফাই লিমিটেড, বাংলাদেশ ও বিশ্বের হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক, ডাক্তার ও ফার্মেসির জন্য। প্রতিষ্ঠানের মালিক ও ম্যানেজাররা প্রতি সপ্তাহে যেসব প্রশ্ন করেন, সেখান থেকেই আমাদের গাইডগুলো আসে। আমাদের সম্পর্কে

Modern care deserves modern software.

The team that wrote Hospify Pro is the team that answers when you message. Open the live demo for your kind of facility, sign up for a 14-day free trial with no card, or ask us which modules fit the way you already work.